Friday, April 26, 2019
শুধু তরজমা পড়ে আমল

কুরআন হাদীসের শুধু তরজমা পড়ে আমল করা গোমরাহী

পাঠক, এ প্রবন্ধের বিষয়বস্তু কুরআন-সুন্নাহর উপর আমল করার সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে। বর্তমানে অনেকে সুন্নাহর ওপর চলার দাবি করেন কিন্তু সঠিক পদ্ধতি না জানার কারণে নিজেরাও গোমরাহ হচ্ছেন, অন্যকেও গোমরাহ করছেন।
নবীজী ﷺ মাটির তৈরী নাকি নূরের তৈরী?

নবীজী ﷺ মাটির তৈরী নাকি নূরের তৈরী?

আল্লাহ তা‘আলা বহু সংখ্যক মাখলূক সৃষ্টি করেছেন। তার মধ্যে তিন শ্রেণীর মাখলূক বেশী গুরুত্বপূর্ণ।
hajir-najir নবীজী ﷺ হাযির-নাযির কিনা

নবীজী ﷺ হাজির নাযির কি না?

এক বহুল প্রচলিত বিদ‘আত ও কুসংস্কার হল, নবীজী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে হাযির-নাযির বলে বিশ্বাস করা। এর ভ্রান্তি সম্পর্কে এখানে সংক্ষিপ্ত কিছু আলোচনা করা হল:-
সাদ সাহেবের গোমরাহীর মূলকথা

সাদ সাহেবের গোমরাহীর মূল কথা – মুফতী আবুল হাসান শামসাবাদী

সাদ সাহেব দ্বীন ও ঈমানের ব্যাপারে বয়ান ও বর্ণনায় যে পথ অবলম্বন করেছেন, তা বড়ই মারাত্মক গোমরাহীপূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর। তার সবচেয়ে ভয়ানক ব্যাপার হলো--তিনি দ্বীনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে লা-পরোয়াভাবে মনগড়ারূপে বর্ণনা করতে থাকেন। সেই কাজটি তিনি তিনভাবে করেছেন

(পর্ব-১২) সাহাবায়ে কিরাম (রা.)-এর উপর মিথ্যারোপ

জাকির নায়েক বলেন–“ রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ইন্তিকালের পর লোকেরা যখন তাঁর কথাগুলো উদ্ধৃতি দিতে শুরু করলো, কেউ কেউ এমন কথাও বলতে শুরু করলো যা নবীজী (সা.) হয়তো বলেননি।”

(পর্ব-১১) আল্লাহর বাণী হতে হলে বিজ্ঞানের সাথে মিলতে হবে

জাকির নায়েক বলেন–“ কোন্ কিতাবটি প্রকৃতই আল্লাহর বাণী–তা জানতে হলে তাকে আধুনিক সায়েন্স ও টেকনোলজির দ্বারা যাচাই করতে হবে। যদি তা আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে মিলে, তাহলে বুঝে নিবেন যে, এটা আল্লাহ তা‘আলার বাণী।

(পর্ব-১০) রাসূলুল্লাহ (সা.)কে প্রচলিত মিডিয়ার (টিভি-সিনেমার) সাথে জড়ানো

জাকির নায়েক বলেন–“ যদি আজকের দিনে নবীজী বেঁচে থাকতেন, আমার ধারণা–তিনি আজকের এই মিডিয়াকে (টিভি-সিনেমা প্রভৃতিকে) পুরোপুরি ব্যবহার করতেন। ”

(পর্ব-৯) হায়াতুন্নবী (সা.) ও শহীদগণের জীবিত থাকা অস্বীকার

তারা নবীজীর জানাযার নামাযও পড়েছেন। যুদ্ধের ময়দানে যখন মুসলিমরা শহীদ হয়েছেন, সাহাবীগণ তাদের জানাযার নামাযও পড়েছেন। জীবিত কারো জানাযার নামায কি পড়া যায়? না। বরং এখানে কুরআনের আয়াত বলছে–শত্রুরা যখন উল্লাস করে বলে–তোমাদের লোকদের মেরেছি, তবে তাদের সাথে পরকালে দেখা হবে। তারাই সবচেয়ে লাভবান। সুতরাং এখানে শারীরিক বেঁচে থাকার কথা বলা হচ্ছে না। যদি শারীরিকভাবে বেঁচে থাকতেন, সাহাবীগণ তাদেরকে কবর দিবেন কেন?
রাসূলুল্লাহ (সা.) এর উপর ঈমান না আনলেও জান্নাতে যাওয়া যাবে

(পর্ব-৮) রাসূলুল্লাহ (সা.) এর উপর ঈমান না আনলেও জান্নাতে যাওয়া যাবে

‘রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর উপর ঈমান না আনলে জান্নাতে যাওয়ার চান্স’ সম্পর্কে ডাক্তার জাকির নায়েকের মতবাদ হলো– —————————————————————————ডাক্তার জাকির নায়েক বলেন–“ যদি কোন ব্যক্তি আল্লাহর উপর ঈমান রাখে, কিন্তু রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর উপর ঈমান রাখে না, তার জান্নাতে যাওয়ার .০০১ পারসেন্ট সম্ভাবনা আছে।”

(পর্ব-৭) সকল ধর্মের সাদৃশ্যগুলো মেনে চলার গর্হিত থিউরি

জাকির নায়েক বলেন–“ আমাদের ধর্মগুলোর মাঝে কিছু পার্থক্য ও কিছু সাদৃশ্য আছে। আসুন, আমরা সবাই আমাদের যার যার ধর্মের সাদৃশ্যগুলো মেনে চলি। আমাদের মাঝে পার্থক্য না হয় কিছু থাকলো। আমি যেটা বলি, আমাদের ধর্মগ্রন্থগুলোর মধ্যে হতে পারে সেটা ভগবতগীতা, হতে পারে বেদ-উপনিষদ, হতে পারে বাইবেল বা কুরআন; আসুন, সাদৃশ্যগুলো দেখি।