Friday, February 22, 2019

(পর্ব-৭) সকল ধর্মের সাদৃশ্যগুলো মেনে চলার গর্হিত থিউরি

জাকির নায়েক বলেন– “ আমাদের ধর্মগুলোর মাঝে কিছু পার্থক্য ও কিছু সাদৃশ্য আছে। আসুন, আমরা সবাই আমাদের যার যার ধর্মের সাদৃশ্যগুলো মেনে চলি। আমাদের মাঝে পার্থক্য না হয় কিছু থাকলো। আমি যেটা বলি, আমাদের ধর্মগ্রন্থগুলোর মধ্যে হতে পারে সেটা ভগবতগীতা, হতে পারে বেদ-উপনিষদ, হতে পারে বাইবেল বা কুরআন; আসুন, সাদৃশ্যগুলো দেখি।

(পর্ব-৯) হায়াতুন্নবী (সা.) ও শহীদগণের জীবিত থাকা অস্বীকার

তারা নবীজীর জানাযার নামাযও পড়েছেন। যুদ্ধের ময়দানে যখন মুসলিমরা শহীদ হয়েছেন, সাহাবীগণ তাদের জানাযার নামাযও পড়েছেন। জীবিত কারো জানাযার নামায কি পড়া যায়? না। বরং এখানে কুরআনের আয়াত বলছে–শত্রুরা যখন উল্লাস করে বলে–তোমাদের লোকদের মেরেছি, তবে তাদের সাথে পরকালে দেখা হবে। তারাই সবচেয়ে লাভবান। সুতরাং এখানে শারীরিক বেঁচে থাকার কথা বলা হচ্ছে না। যদি শারীরিকভাবে বেঁচে থাকতেন, সাহাবীগণ তাদেরকে কবর দিবেন কেন?

(পর্ব-১১) আল্লাহর বাণী হতে হলে বিজ্ঞানের সাথে মিলতে হবে

জাকির নায়েক বলেন– “ কোন্ কিতাবটি প্রকৃতই আল্লাহর বাণী–তা জানতে হলে তাকে আধুনিক সায়েন্স ও টেকনোলজির দ্বারা যাচাই করতে হবে। যদি তা আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে মিলে, তাহলে বুঝে নিবেন যে, এটা আল্লাহ তা‘আলার বাণী।

(পর্ব-১২) সাহাবায়ে কিরাম (রা.)-এর উপর মিথ্যারোপ

জাকির নায়েক বলেন– “ রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ইন্তিকালের পর লোকেরা যখন তাঁর কথাগুলো উদ্ধৃতি দিতে শুরু করলো, কেউ কেউ এমন কথাও বলতে শুরু করলো যা নবীজী (সা.) হয়তো বলেননি।”