আফ্রিকান সংস্কৃতি ও ইসলাম সম্পর্কে নওমুসলিম নওবিসার চাঞ্চল্যকর সাক্ষাৎকার

হাসসান মসজিদ, মরক্কো
হাসসান মসজিদ, মরক্কো

ইউনিভার্সিটি অব সাউথ এশিয়ার শিক্ষার্থী এবং স্টাফ মেম্বার নওমুসলিম নওবিসা সিগাবা মনে করেন, আফ্রিকার মুসলিমদের জন্য বিশেষত দক্ষিণ আফ্রিকার মুসলিমদের জন্য বর্তমান বিশ্বে ছড়িয়ে পড়া ইসলামভীতিমূলক কার্যক্রমের সমুচিত জবাব দেয়ার জন্য ইসলামী তত্ত্বীয় জ্ঞান অর্জন করা আবশ্যক।

ইউনিভার্সিটি অব সাউথ এশিয়ার হিউম্যান সাইন্স বিভাগে মাস্টার্স পর্যায়ে অধ্যয়নরত এই শিক্ষার্থী আফ্রিকার জোহানসবার্গের এক অনুষ্ঠানে ইসলাম ধর্মে তার ধর্মান্তরিত হওয়ার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আমি একটি গোঁড়া খ্রিস্টান পরিবারে বড় হই। এমনকি আমার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কৃষ্ণাঙ্গদের আধিপত্য ছিল এবং এ কারণে আমি অন্য কোনো বর্ণ সম্পর্কে তেমন কিছুই জানতাম না। যখন আমি গাউতেং শহরে আসি তখন এখানকার সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য দেখে আমি অবাক হয়ে যাই। সেখানে আমি একটি বহু সংস্কৃতির বিদ্যালয়ে ভর্তি হই। আর তখন থেকেই আমি আমার খ্রিস্টান বিশ্বাসের কিছু মূল বিশ্বাস সম্পর্কে প্রশ্ন করতে থাকি। আজ আমি গর্ব করে বলতে পারি যে, আমি গত ১০ বছর যাবত একজন মুসলিম হিসেবে ইসলাম চর্চা করছি।’

আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করা নওবিসা সিগাবা বলেন, এখন ইসলামের এমন কিছু পরিবর্তন দরকার যাতে করে আমরা আরো ভালোভাবে লোকজনদের ইসলাম সম্পর্কে বোঝাতে পারি। বর্তমানে অনেকেই মনে করেন ইসলাম একটি সেকেলে ধর্ম এবং এতে মানব জাতির বহুমুখী সমস্যার সমাধান নেই।

মাসিক আদর্শ নারীর পাঠকদের জন্য নওবিসা সিগাবার একটি সাক্ষাৎকার ভাষান্তরে নিম্নে তুলে ধরা হল-

প্রশ্ন: কেন আপনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন?
নওবিসা সিগাবা: ইসলাম গ্রহণের দিনটি আমি এখনো স্মরণ করতে পারি। এটি ছিল ২০০৭ সালে ক্রিসমাসের পরে এবং আমার ম্যাট্রিকের ফলাফল বের হওয়ার পূর্বের একটি ঘটনা। আমি অনলাইনে কিভাবে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করা যায় সে সম্পর্কে খোঁজ করতে থাকি এবং মিশরের একজন ভাইয়ের সাথে পরিচিত হই।

তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পূর্বে আমাকে কিছু ইসলামি বই পড়ার জন্য অনুরোধ জানান এবং তিনি সেই সকল বই আমাকে ই-মেইল করে পাঠিয়ে দেন।

পরবর্তীতে আমি যখন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিই তিনি আমাকে ই-মেইলের মাধ্যমে একটি ভয়েস রেকর্ড পাঠান এবং তা শুনে আমি শাহাদা পাঠ করে মুসলিম হয়ে যাই।

এর আগে আমি খ্রিস্টান ধর্ম সম্পর্কে অনেক সন্দেহ পোষণ করতে থাকি। কিন্তু একটি ব্যাপার ছিল যা আমার সন্দেহকে আরো ঘনীভূত করে দিল। আমি সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব সম্পর্কে আমার বিদ্যালয়ের বন্ধুদের সাথে একটি তর্কে জড়িয়ে পড়ি। আমার একজন বন্ধু জানালো যে, সে এমন একজন মহিলাকে জানে যিনি সৃষ্টিকর্তাকে খুবই বিশ্বাস করতেন কিন্তু তিনি ছিলেন খুবই দরিদ্র। আর যখন সে মহিলা সৃষ্টিকর্তাকে অবিশ্বাস করা শুরু করে দিলেন এর পর থেকে তিনি মোটামুটি ধনী হয়ে উঠলেন।

তখন আমার মনে প্রশ্ন আসলো যে, যেসব মানুষ সৃষ্টিকর্তাকে ভালোবাসেন তিনি কেন তাদেরকে এত বেশী দুঃখ কষ্টে নিপাতিত করেন?

খ্রিস্টানদের বিশ্বাস সৃষ্টিকর্তা এবং তার সন্তান ইত্যাদি সম্পর্কে আমার মনে বিভিন্ন প্রশ্নের উদয় হতে থাকে। আর এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়েই আমি ইসলামের দিকে ধাবিত হই।

প্রশ্ন: আপনি ইসলাম গ্রহণ করার পরে সবচেয়ে বেশী বাঁধার সম্মুখীন হয়েছেন কখন?

নওবিসা সিগাবা: আমি মনে করি ইসলাম গ্রহণের পরে আমার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জটি ছিল আমার আশপাশের লোকজনদের এ কথা বোঝাতে পারা যে, কেন আমি ইসলাম ধর্ম গ্রহণের মত সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

আমার পরিবার আমার এই সিদ্ধান্তকে সবচেয়ে কঠিন করে নিয়েছিল। আমি জানতাম যে, ইসলাম সম্পর্কে তাদের তেমন একটা ধারণা ছিল না। কারণ হিসেবে আমি পূর্বেই বলেছি যে, আমরা এমন একটি অঞ্চলে থাকতাম যেখানে বিভিন্ন বর্ণের বৈচিত্র্য ছিল না।

আমাকে শয়তানের পূজারী, মূর্তি পূজারী, খ্রিস্টানবিরোধী ইত্যাদি অভিধায় ভূষিত করা হল। কিন্তু আমি জানি যে, ইসলাম একটি সুন্দর বিষয় এবং শুধুমাত্র ইসলাম গ্রহণের কারণে যদি বিচ্ছিন্ন হতেও হয় তবে তাতে কোনো ভুল নেই।

ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পরে আরেকটি চ্যালেঞ্জ ছিল আরবি ভাষা শেখা, কারণ আরবি ভাষা পবিত্র আল-কুরআনের ভাষা। আমাকে প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করতে হয় আর সে জন্যই আরবি ভাষা শেখা আমার জন্য জরুরি হয়ে পড়ে।

ইসলাম গ্রহণের পরে আমি আরেকটি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হই আর তা হচ্ছে আমার নতুন ইসলামিক পোশাকের কারণে লোকজন আমাকে দক্ষিণ আফ্রিকার বাহিরের কোনো দেশের নাগরিক বলে মনে করতে শুরু করে দিয়েছিল।

অনেক সময় লোকজন মনে করত যে, আমি একজন সোমালিয়ান, তানজানিয়ান অথবা মিশরের নাগরিক। এমনকি কেউ কেউ মন করত যে, আমি ভারতীয় অথবা পাকিস্তানি নাগরিক।

আসল কথা হচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকার মানুষজন আমার ইসলামিক পোশাকের কারণে আমাকে ভুল বোঝাটা খুব স্বাভাবিক ছিল। কারণ এগুলো দক্ষিণ আফ্রিকার সংস্কৃতির সাথে একে বারেই বেমানান হয়ে দাঁড়ায়।

প্রশ্ন: আপনি কি এটি উল্লেখ করতে চাচ্ছেন যে, লোকজন ইসলাম ধর্মকে একটি ভারতীয় ধর্ম ভেবে ভুল করে? আপনি এ সম্পর্কে কি মনে করেন এবং তাদেরকে ওই ধারণা সম্পর্কে কি বলেন?

নওবিসা সিগাবা: আমি আসলে এমন সংস্কৃতি থেকে এসেছি যেখানকার লোকজন ইসলাম ধর্মকে একটি ভারতীয় অথবা বিদেশি ধর্ম ভেবে ভুল করে। আর দক্ষিণ আফ্রিকার লোকজনের মন থেকে এ ভুল দূর করে দেয়া অতোটা সহজ কোনো কাজ নয়।

ঐতিহাসিকভাবে আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলে ইসলাম প্রবেশ করে ভারতীয় এবং মালয়েশিয়ান দাসদের মাধ্যমে, যারা উপকূলবর্তী স্থানসমূহে বসতি স্থাপন করেছিল। আর উপনিবেশিকতার চর্চার ফলে ব্রিটিশেরা এসব ভারতীয় এবং শেষে মালয়েশিয়ার লোকজনদের মধ্যে ইসলামের চর্চাকে সীমিত পর্যায়ে নামিয়া আনে।

দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গরা খ্রিস্টান ব্রিটিশদের ধর্ম দ্বারা প্রভাবিত হতে শুরু করে এবং তারা খ্রিস্টান ধর্ম ছাড়া অন্য ধর্মসমূহকে বিদেশিদের ধর্ম হিসেবে চিহ্নিত করে। আমি মনে করি দক্ষিণ আফ্রিকার মানুষজন ইসলামকে একটি ভারতীয় বা বিদেশিদের ধর্ম হিসেবে ভাবার এটি অন্যতম কারণ।

আমি লোকজনদের এ ব্যাপারে শিক্ষিত করতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি যে, ইসলাম কোনো বিদেশি ধর্ম নয় এবং এটি নতুন কোনো ধর্মও নয়, বরং এটি বিশ্বের একেশ্বরবাদী ধর্মগুলোর অন্যতম একটি ধর্ম।

প্রশ্ন: আপনার ধর্ম সম্পর্কে লোকজনের মধ্যে সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা কোনটি, আপনাকে প্রতিনিয়ত যার মুখোমুখি হতে হয়?

নওবিসা সিগাবা: লোকজনের মধ্যে ইসলাম সম্পর্কে সবচেয়ে বড় ভুল ধারণাটি হচ্ছে মুসলিম নারীরা বৈষম্যের শিকার এবং এটি একটি পুরুষ শাসিত ধর্ম। অন্যান্য ধর্মের মতই কিছু মুসলিম রয়েছে যারা শালীনতাকে শুধুমাত্র নারীদের বিষয় বলে মনে করেন।

কিন্তু ইসলামের শালীনতার শিক্ষা হচ্ছে এই যে, পুরুষ এবং নারী উভয়ে শালীনভাবে চলতে হবে। এটি হোক পোশাক আশাকের ক্ষেত্রে অথবা বাহিরের বিশ্বের সাথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে তা উভয়ের জন্য সমান।

আমি কেন হিজাব পরিধান করি প্রায়ই আমি এধরনের প্রশ্নের সম্মুখীন হই। আমি তখন ব্যাখ্যা দিয়ে বলি যে, ইসলাম কাউকে কোনো কিছুর জন্য জোর করে না, বরং ইসলাম আমাদের জানায় যে- মানুষ একটি স্বাধীন স্বত্বা। সৃষ্টিকর্তাকে মান্য করার অথবা অমান্য করার মত বোধ শক্তি তার রয়েছে এবং এ দুয়ের মাঝে যে কোনো একটিকে পছন্দ করার অধিকার তার রয়েছে।

ইসলাম সম্পর্কে লোকজনের মধ্যে আরেকটি ভুল ধারণা হচ্ছে এটি সন্ত্রাসীদের ধর্ম। সত্যিকার অর্থে ধর্মীয় সন্ত্রাসবাদ পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলোর আবিষ্কৃত একটি নতুন ধারণা। তারা এসব গণমাধ্যমের ব্যবহার করে ইসলাম এবং মুসলিমদেরকে বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত করতে চায়। এমনকি তথাকথিত অনেক মুসলিম সন্ত্রাসী দল আসলে মুসলিমদের দ্বারা তৈরি কৃত নয়।

প্রশ্ন: আপনি কিভাবে এসব ভুল ধারণার মোকাবেলা করেন?
নওবিসা সিগাবা: একজন কৃষ্ণাঙ্গ দক্ষিণ আফ্রিকান মুসলিম হিসেবে আমার জন্য সবচাইতে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে আফ্রিকান হিসেবে আফ্রিকানদের মধ্যে ইসলাম সম্পর্কে ভুল ধারণাগুলো দূর করে দেয়া এবং এ প্রশ্নের সমাধান করা যে, কেন আমরা ইসলামকে একটি বিদেশি ধর্ম হিসেবে দেখি আর কেনইবা আফ্রিকানরা এ নিয়ে অতোটা মাথা ঘামায় না?

আমি সবসময় এ ধরনের যুক্তিগুলোকে এড়িয়ে চলি যে, আফ্রিকানরা আঞ্চলিক এবং উপনিবেশিক কারণে ইসলামকে একটি বিদেশি ধর্ম হিসেবে আখ্যায়িত করে। দক্ষিণ আফ্রিকানদের জন্য একমাত্র খ্রিস্টান ধর্মই হচ্ছে সঠিক তত্ত্ব, যা এখানকার মানুষদের সাথে মানানসই, আমি এ ধরনের যুক্তিগুলোকেও অগ্রাহ্য করি।

এখানে খুব কম সংখ্যক মুসলিম রয়েছে এবং মুসলিম নারীদের সংখ্যা আরো বেশি কম। এখানকার মুসলিম নারীগণ তাদের কর্মক্ষেত্রে হিজাব পরিধান করার জন্য একেবারেই আত্মবিশ্বাসী, এমনকি এ ভীতি থাকা সত্ত্বেও যে, তারা বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে মুসলিমদের কৃত কার্যকলাপ নিয়ে অন্য ধর্মের লোকজনদের নিকট থেকে কিছু বিরূপ প্রশ্নের মুখোমুখি হতে পারেন।

আমি বোঝাতে চাচ্ছি যে, আমি নিজে আল-কায়দা এবং আইএসআই সম্পর্কে অনেক প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছি, এমনকি আমাকে এও জিজ্ঞেস করা হয়েছে- আমি এসব দলের সদস্য কিনা। আর আমাকে এই সব দলের কার্যকলাপ সম্পর্কে তাদের নিকট ব্যাখ্যা দিতে হয়েছে যে, কেন তারা সত্যিকারের ইসলামি দল নয়।
আমি স্বীকার করছি যে, ২১ শতাব্দীর এই আধুনিক যুগে একজন মুসলিম হওয়া আসলেই অনেক কঠিন কাজ যেখানে গণমাধ্যমগুলো প্রতিনিয়ত ইসলাম এবং মুসলিমদের সম্পর্কে নেতিবাচক ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

প্রশ্ন: আপনি কিভাবে আফ্রিকান সংস্কৃতিকে ধর্মের মুখোমুখি করবেন?

নওবিসা সিগাবা: আমি মুসলিম হওয়ার পূর্বে একজন খ্রিস্টান ছিলাম। মুসলিমরা বিশ্বাস করে যে, জন্মের সময় প্রত্যেক মানুষই প্রকৃতিগতভাবে মুসলিম হয়ে জন্মায় এবং পরবর্তীতে তাদের পিতামাতা এবং সামাজিক কারণে তারা অন্য ধর্মের অনুসারী হয়ে যায়।

ইসলামকে একটি ধর্ম হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই, আসলে ইসলাম কোনো ধর্ম নয় বরং এটি একটি জীবন ব্যবস্থা। ইসলামের অর্থ হচ্ছে- ‘আনুগত্যের মাধ্যমে শান্তি’ আর এই আনুগত্য হচ্ছে সৃষ্টিকর্তার প্রতি আনুগত্য। ইসলাম আমাদেরকে মানব জাতির সেবা করতে শেখায়।

উবুন্টু একটি আফ্রিকান দর্শন যা মানবতা শেখায় আর ইসলামে এই উবুন্টুর পুরোটাই বিদ্যমান। সুতরাং আমার কাছে আফ্রিকান সংস্কৃতি ইসলামের শিক্ষার সাথে একেবারেই সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে হয়।

প্রশ্ন: একজন উপনিবেশিকতা বিরোধী হিসেবে ইসলাম এবং উপনিবেশিকতা বিরোধিতা সম্পর্কে আপনার ব্যক্তিগত মতামত কি?

নওবিসা সিগাবা: উপনিবেশিকতা বিরোধী হিসেবে আমি একজন মুসলিম হিসেবে নিজেকে আধুনিক বিশ্ব থেকে অনেক দূরের কেউ মনে করি, কারণ বিশ্বের অন্যান্য নিপীড়িত জনগোষ্ঠীর মত মুসলিমরাও মানুষ হিসেবে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য এখনো সংগ্রাম করে যাচ্ছে।

আমি নিজেকে একজন উপনিবেশিকতা বিরোধী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছি এবং এর জন্য প্রয়োজন বর্তমানে পশ্চিমারা ইসলামকে যেভাবে ব্যাখ্যা করে তা থেকে বেরিয়ে আসা। একইভাবে বিশ্বব্যাপী ইসলামের একটি সত্যিকারের মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করতে হবে যা বিশ্বের মুসলিমদের বাস্তব অভিজ্ঞতাকে প্রতিফলিত করবে।


source: unisa.ac.za

আপনার মন্তব্য