নবীর দেশে নতুন ফেতনা!

মারিয়া ক্যারি একজন আমেরিকান গায়িকা এবং অভিনেত্রী। নগ্নতা এবং অশ্লিলতা যার গানের প্রধান হাতিয়ার। গত বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) সৌদি আরবের কিং আব্দুল্লাহ বাণিজ্যিক শহরের লা সান নামক রিসোর্টে একটি গানের কনসার্ট করে সংবাদের শিরোনাম হয়।

সৌদি আরবের মতো দেশে পশ্চিমী পোষাক পরিহিতা একজন মার্কিনী গায়িকার নগ্নতা দেখে দেশটির ইসলামী ভাবধারার জণগন ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। শুধু সৌদি আরব নয় এ ঘটনায় পুরো বিশ্বের মুসলমান হতবাক হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পূণ্যভূমিতে এমন কনসার্ট হওয়া নিয়ে তীব্র সমালোচনার জন্ম নিয়েছে।

এদিকে, মারিয়া ক্যারির সৌদি আগমন এবং কনসার্ট করা নিয়ে দেশটির নারী অধিকারকর্মীগণ তাকে বয়কট করার ঘোষণা করেছেন।

অনেকে মন্তব্য করেছেন, তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি দূতাবাসে যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমান কর্তৃক তার কঠোর সমালোচক সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যা করার পর যুবরাজের সম্মান ফিরিয়ে আনার নতুন কৌশল হিসেবে মারিয়া ক্যারিকে কনসার্টের জন্য সৌদি আরবে আমন্ত্রণ জানায় যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমান।

সৌদি আরবের বসবাসকারী ওমিমা আল-নাজ্জার বলেন, সাম্প্রতিক সৌদি সরকার কর্তৃক আয়োজিত কনসার্ট এবং ইভেন্টগুলি কেবল সরকারের অপরাধ লুকানো এবং বিশ্বের সচেতন মানুষের দৃষ্টিকে অন্যদিকে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, “সৌদি সরকার মানবাধিকার লঙ্ঘন থেকে মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য বিনোদন ব্যবহার করছে।

সৌদি আরবের আরেক নাগরিক বলেন, পবিত্র মক্কা নগরীর দেশে মারিয়া ক্যারিকে ডেকে আনার পরিনাম ভয়াবহ হবে। তিনি এ ঘটনাকে যুবরাজ মুহাম্মদের পাগলামি এবং নবীর দেশে নব্য ফেতনা বলে আখ্যায়িত করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

%d bloggers like this: