কাকরাইল থেকে চিঠি : ইজতেমা ১৪, ১৫, ১৬ ফেব্রুয়ারি, মাঠে পুরোদমে কাজ শুরু

ইকরামুল হাসান


কাকরাইলের আহলে শুরার পক্ষ থেকে একটি চিঠি প্রেরণ করা হয়েছে জেলা, থানা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের তাবলীগের শুরা ও জিম্মাদারদের প্রতি। এতে বলা হয়েছে মুরুব্বীদের পরামর্শক্রমেই আলাদা আলাদা ইজতেমা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ওলামা হযরত ও তাবলীগের সাথীদের মূল ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৪, ১৫, ও ১৬ ফেব্রুয়ারি।

ইজতেমা কামিয়াবির জন্য এখন থেকেই ছোট ছোট জামাআত তৈরি করে প্রস্তুতি নিতে আহ্বান জানানো হয় চিঠিতে।
অন্য একটি সূত্র বলছে, এবারের ইজতেমায় পাকিস্তানের মাওলানা তারিক জামিল সহ বিশ্বের বরেণ্য মুবাল্লিগ ও ওলামায়ে কেরাম উপস্থিত হবেন।

অপর একটি সূত্র জানিয়েছে, নানা রকম বিশৃংঙ্খলার শঙ্কা, হতাশা ও দ্বিধা দূর করতে মুরুব্বিরা প্রশাসনের সঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুরু হয়ে শনিবার মাগরিবের মধ্যে আলমী শুরার তাবলিগি সাথীদের ইজতেমা সমাপ্ত করবেন। সাদপন্থী তাবলিগের সাথীরা পরের দিন ময়দানে আসবে। তিনি জানান, সাদ অনুসারীরাও সম্ভবত নির্ধারিত দু্ই দিনের পর শেষের দিকে একদিন সময় বাড়িয়ে নেবেন।

তিনি আরও জানান, তাবলিগ জামাতের মুরব্বি ও উলামায়ে কেরাম সব রকম দ্বিধাদ্বন্দ্ব ভুলে ১৪,১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি ইজতেমা সফল করে তুলতে তাবলিগের সব পর্যায়ের সাথীদের আহ্বান জানিয়েছেন। মুরব্বিরা সাদপন্থীদের সাথে সাধারণ তাবলিগি সাথীদের মেলামেশা কিংবা বিরোধ-সংঘাত এড়াতে যথাযথ শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন।

আলমী শুরা ও ওলামায়ে কেরামের অনুসারী সাথীরা শনিবার সন্ধ্যায় অল্প সময়ের মধ্যে ইজতেমার ময়দান ছেড়ে কীভাবে যার যার জায়গায় যাবেন?’ এ প্রশ্নের উত্তরে সূত্রটি জানায়, বিদেশি মেহমানরা শনিবার রাতে হজক্যাম্প, কাকরাইল মসজিদসহ উত্তরার কোনো কোনো মসজিদে অবস্থান করবেন। আর ময়দানে চিল্লার জন্য জামাতবন্দী সাথীরা টঙ্গী, উত্তরাসহ ঢাকার বিভিন্ন মসজিদে শনিবার রাতের জন্য রোখ করবেন। এরপর সেখান থেকে বিভিন্ন এলাকায় জামাত চলে যাবে।

 


আপনার মন্তব্য