তাহাজ্জুদ, শবে কদর ও শবে বরাতের নামায কিভাবে আদায় করবে?

নামায-দুয়া-মুনাজাত-জায়নামাজ-ইবাদত-মাফ-ক্ষমা-বাচ্চা- শিশু

সুওয়াল

হুজুর,

আস্ সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

আমি রাত্রে ঘুম থেকে উঠে ২ ২  রাকাত করে ৬ রাকাত নফল নামায পড়ি। যা তাহাজ্জুদ নামায হিসেবে গণ্য। আমি ১ম রাকাতে সুরা কাফিরুন এবং ২য় রাকাতে সুরা ইখলাস ১ বার পড়ি, সেটি কি ঠিক আছে?

অন্য একজন বললো, সুরা ফাতিহার পর যে সুরা পড়া হবে সেটি ৩/৫/৭ বার পড়তে হবে। এটি কি সঠিক?

দয়া করে শবে বরাত, শবে কদরের রাত্রে নফল নামায কি নিয়মে পড়তে হয় জানাবেন।

ধন্যবাদ

জাওয়াব

 

আপনি যে পদ্ধতিতে তাহাজ্জুদ পড়ে থাকেন। তা সঠিক পদ্ধতি। তাহাজ্জুদ নামায দুই বা চার রাকাত করে যত ইচ্ছে পড়া যায়। চার হোক, ছয় হোক, আট হোক, বার হোক বা যত ই্চ্ছে। প্রতি রাকাআতে সূরা ফাতিহা পড়ার পর যেকোন সুরা বা যে কোন সূরার আয়াত পড়া যায়। সেই সাথে প্রতি দুই রাকাত পর বৈঠক করতে হয়।

এক সূরা একাধিক বার পড়ার কোন বিধান নেই।

আর শবে বরাত ও শবে কদরের জন্য নির্ধারিত কোন নামায নেই। অন্য রাতের মত নফল নামায পড়া যায়।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সারা বছরই শেষ রাত্রে তাহাজ্জুদ নামায পড়তেন।

عن أبي سلمة بن عبد الرحمن أنه أخبره : أنه سأل عائشة رضي الله عنها كيف كانت صلاة رسول الله صلى الله عليه و سلم في رمضان ؟ فقالت ما كان رسول الله صلى الله عليه و سلم يزيد في رمضان ولا في غيره على إحدى عشرة ركعة يصلي أربعا فلا تسل عن حسنهن وطولهن ثم يصلي أربعا فلا تسل عن حسنهن وطولهن ثم يصلي ثلاثا . قالت عائشة فقلت يارسول الله أتنام قبل أن توتر ؟ . فقال يا عائشة إن عيني تنامان ولا ينام قلبي (صحيح البخارى- أبواب التهجد، باب قيام النبي صلى الله عليه و سلم بالليل في رمضان وغيره1/154

والله اعلم بالصواب
উত্তর লিখনে
লুৎফুর রহমান ফরায়েজী

  ———————————-
● লাইক করুন সাইটের ফেসবুক পেইজে সাথে Following অপশন থেকে  See First করে রাখুন  www.facebook.com/Adarshanari.web

● লাইক করুন মাসিক আদর্শ নারীর ফেসবুক পেইজে সাথে Following অপশন থেকে  See First করে রাখুন  https://www.facebook.com/Adarsha.Nari

● যোগ দিন মাসিক আদর্শ নারীর ফেসবুক গ্রুপে  https://www.facebook.com/groups/Adarsha.Nari

আপনার মন্তব্য