মাওলানা সাদ সাহেব কে আমির মানলে জানাজাতে শরিক হওয়া যাবে কিনা ?

প্রশ্নোত্তর বিভাগCategory: ধর্মীয় জিজ্ঞাসামাওলানা সাদ সাহেব কে আমির মানলে জানাজাতে শরিক হওয়া যাবে কিনা ?
মাওলানা সাদ সাহেব কে আমির মানলে জানাজাতে শরিক হওয়া যাবে কিনা ? 1Md. Abdullah asked 11 months ago
আসসালামু আলাইকুম 
গত দুই বছর ধরে সারা বিশ্বে দাওয়াতের কাজে এক ধরণের মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ ছাড়া অন্যান্য দেশে মতবিরোধের মূল সূত্র হল দাওয়াতের কাজে শূরা পদ্ধতি হবে নাকি আমীর হবে।
 
যারা শুরা পদ্ধতি চাচ্ছেন তাদের দাবী হল মাওলানা সাদ সাহেব অটো আমীর। আর যারা তাঁকে আমীর মানছেন তাদের দাবী হল মাওলানা সা’দ সাহেব অটো আমীর নন। বরং তিন জন জিম্মাদারের অন্যতম। এবং ২০১৭ সনে টঙ্গী মাঠে সারা দুনিয়ার পরামর্শে সাথীরা স্বপ্রণোদিত হয়ে জিম্মাদার হিসাবে মাওলানা সা’দ সাহেবের প্রতি নিজেদের আনুগত্য পুনঃব্যক্ত করেছেন।
 
 বাংলাদেশে মতবিরোধে এর সাথে আরও কিছু রয়েছে, যেমন মাওলানা সাদ কোরআন হাদিসের ভুল ব্যাখ্যাকারী, মাওলানা সাদ ইহুদীদের দালাল, সে কোন হাফেজ আলেম নন, তাঁর বাসায় ইহুদি খাদেম, তাঁর সাথে আলেম নাই ইত্যাদি আরও অগণিত অভিযোগ। এ কারণে বাংলাদেশে ঘরে ঘরে গণ্ডগোল , ভাই ভাই ঝগড়া, বাবা ছেলে গণ্ডগোল।
 
এরই প্রেক্ষিতে কিছু প্রশ্ন যেগুলো ফতোয়া আকারে দিলে আমাদের মানতে সহজ হবে।
 
আমাদের পরিচিত দুই ভাই দুই দিকে মেহেনত করেন। একজনের বাসায় কিছু দিন আগে একটা জামাত আসে যারা মাওলানা সা’দ সাহেবকে এই কাজের ব্যাপারে নিজেদের জিম্মাদার মনে করেন। অপর ভাই আলমী শূরার অনুসারী তাঁর বাসাতে তাঁদের মা থাকেন। অন্য ভাইয়ের বাসায় ঐ মা যেতে চাইলে আলমী শূরাপন্থী ভাইটি তাঁর মাকে কিছু কথা বলেন। এগুলো ব্যাপারেই ব্যাখ্যা প্রয়োজন। 
০১।  মা যদি নিজামুদ্দিন অনুসারী ঐ ভাইয়ের বাসার জামাতের আমলে শরীক হন তাহলে শূরাপন্থী ঐ ভাই মার মৃত্যুর পর জানাজাতে শরিক হবেন না।
০২। কিছু দিন আগে শূরাপন্থী ঐ ভাই আরেক সাথীকে ফোন করে বলেন যে, ঐ সাথীর জামাতা (মেয়ের স্বামী) মাওলানা সা’দ সাহেবকে আমীর মানার কারণে ঐ সাথীর মেয়ে তালাক হয়ে গেছে। ০৩। মুন্তাখাব হাদিস সাধারণ ভাবে পড়তে বাধা কোথায়? এই কিতাবে সংকলিত হাদীসগুলো কি জাল?
০৪। গিবত বা পরনিন্দা কি জায়েজ ? যদি জায়েজ বলা হয় তাহলে কিসের ভিত্তিতে জায়েজ হবে? কারো দোষ বর্ণনা করার ক্ষেত্রে কি শুধুমাত্র ইন্টারনেট বা সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রাপ্ত তথ্যই যথেষ্ট হবে? নাকি সরে জমিনে তাঁর সাথে কথা বলা এবং তাঁর নৈকট্যশীল লোকজনের সাথে কথা বলে যথাযথ প্রক্রিয়ার তাহকীক করে তাঁর দোষ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া জরুরী? যদি  ইন্টারনেট বা সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রাপ্ত তথ্যই যথেষ্ট তাহলে এর শরিয়তের ব্যাখ্যা কি ?