Friday, April 26, 2019
রাসূলুল্লাহ (সা.) এর উপর ঈমান না আনলেও জান্নাতে যাওয়া যাবে

(পর্ব-৮) রাসূলুল্লাহ (সা.) এর উপর ঈমান না আনলেও জান্নাতে যাওয়া যাবে

‘রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর উপর ঈমান না আনলে জান্নাতে যাওয়ার চান্স’ সম্পর্কে ডাক্তার জাকির নায়েকের মতবাদ হলো– —————————————————————————ডাক্তার জাকির নায়েক বলেন–“ যদি কোন ব্যক্তি আল্লাহর উপর ঈমান রাখে, কিন্তু রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর উপর ঈমান রাখে না, তার জান্নাতে যাওয়ার .০০১ পারসেন্ট সম্ভাবনা আছে।”

(পর্ব ৬) কুরআন বলেছে– যে কোন ধর্ম মানা যাবে

জাকির নায়েক বলেন–“ কুরআন আমাদেরকে যে কোন একটি ধর্ম বেছে নেয়ার স্বাধীনতা দিয়েছে। কুরআন যে কোন একটি ধর্ম বেছে নেয়ার স্বাধীনতা প্রসঙ্গে বলেছে —لَا إِكْرَاهَ فِي الدِّينِ ‘দ্বীন সম্পর্কে কোন যবরদস্তি নেই’ …কুরআন অনুমতি দিয়েছে আপনি আপনার ইচ্ছামতো ইশ্বরকে বেছে নিতে পারেন।”

(পর্ব-১০) রাসূলুল্লাহ (সা.)কে প্রচলিত মিডিয়ার (টিভি-সিনেমার) সাথে জড়ানো

জাকির নায়েক বলেন–“ যদি আজকের দিনে নবীজী বেঁচে থাকতেন, আমার ধারণা–তিনি আজকের এই মিডিয়াকে (টিভি-সিনেমা প্রভৃতিকে) পুরোপুরি ব্যবহার করতেন। ”

(পর্ব-৭) সকল ধর্মের সাদৃশ্যগুলো মেনে চলার গর্হিত থিউরি

জাকির নায়েক বলেন–“ আমাদের ধর্মগুলোর মাঝে কিছু পার্থক্য ও কিছু সাদৃশ্য আছে। আসুন, আমরা সবাই আমাদের যার যার ধর্মের সাদৃশ্যগুলো মেনে চলি। আমাদের মাঝে পার্থক্য না হয় কিছু থাকলো। আমি যেটা বলি, আমাদের ধর্মগ্রন্থগুলোর মধ্যে হতে পারে সেটা ভগবতগীতা, হতে পারে বেদ-উপনিষদ, হতে পারে বাইবেল বা কুরআন; আসুন, সাদৃশ্যগুলো দেখি।

(পর্ব-৯) হায়াতুন্নবী (সা.) ও শহীদগণের জীবিত থাকা অস্বীকার

তারা নবীজীর জানাযার নামাযও পড়েছেন। যুদ্ধের ময়দানে যখন মুসলিমরা শহীদ হয়েছেন, সাহাবীগণ তাদের জানাযার নামাযও পড়েছেন। জীবিত কারো জানাযার নামায কি পড়া যায়? না। বরং এখানে কুরআনের আয়াত বলছে–শত্রুরা যখন উল্লাস করে বলে–তোমাদের লোকদের মেরেছি, তবে তাদের সাথে পরকালে দেখা হবে। তারাই সবচেয়ে লাভবান। সুতরাং এখানে শারীরিক বেঁচে থাকার কথা বলা হচ্ছে না। যদি শারীরিকভাবে বেঁচে থাকতেন, সাহাবীগণ তাদেরকে কবর দিবেন কেন?