Wednesday, July 24, 2019
সাদ সাহেবের গোমরাহীর মূলকথা

সাদ সাহেবের গোমরাহীর মূল কথা – মুফতী আবুল হাসান শামসাবাদী

সাদ সাহেব দ্বীন ও ঈমানের ব্যাপারে বয়ান ও বর্ণনায় যে পথ অবলম্বন করেছেন, তা বড়ই মারাত্মক গোমরাহীপূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর। তার সবচেয়ে ভয়ানক ব্যাপার হলো--তিনি দ্বীনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে লা-পরোয়াভাবে মনগড়ারূপে বর্ণনা করতে থাকেন। সেই কাজটি তিনি তিনভাবে করেছেন

সর্বযুগের উলামায়ে কেরাম মাযহাবের অনুসারী ছিলেন : মাযহাব ভিত্তিক সংক্ষিপ্ত তালিকা

লেখক: মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. কুরআন-সুন্নাহ ও তা থেকে আহরিত সকল বিধি-বিধান মেনে চলার মধ্যেই মুসলমানদের দোজাহানের শান্তি ও কামিয়াবী নিহিত। তবে কুরআন-সুন্নাহর কিছু বিধান...
পুরুষদের কিছু বর্জনীয় অভ্যাস

পুরুষদের ৩৪টি বর্জনীয় অভ্যাস

লেখক : মুফতী মনসূরুল হক দা.বা.
মহিলাদের কিছু বর্জনীয় অভ্যাস: মুফতী মনসূরুল হক (দা.বা.)

মহিলাদের ৩৫টি বর্জনীয় অভ্যাস, যা মেনে চললে উভয় জাহানে কামিয়াবী মিলবে

মুফতী মনসূরুল হক (দা.বা.) ১. জরুরী আকায়িদ, ইবাদত, সহীহ কুরআন তিলাওয়াত, পিতা-মাতা, স্বামীর হক ও সন্তানের হক সম্পর্কে ইলম হাসিল করে না অথচ জরুরত পরিমাণ...
তাবিজ কবজ ঝাড়ফুঁক জাদু টোনা পানি পড়া জিনের আসর ওঝা

তাবীজ-কবজ ও ঝাড়-ফুঁক সম্বন্ধে আক্বিদা বা বিশ্বাস

বর্তমান যুগে তাবীজ-কবজ ও ঝাড়-ফুঁক ব্যাপারে মানুষের মাঝে বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ি পরিলক্ষিত হচ্ছে। কেউ কেউ তো ঝাড়-ফুঁক, তাবীয-কবজকে একেবারে অস্বীকার করে এবং এ সকল কাজকে না-জায়িয, হারাম এমনকি শিরক ও মনে করে।
মসজিদে-ঘুম-তাবলীগ-জামাত-

হাদীসের আলোকে মসজিদে ঘুমানোর শরয়ী বিধান (বিস্তারিত)

৩টি মাসআলা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে এখানে। ১. মসজিদে ঘুমানোর হুকুম কী? ২. নফল ইতিকাফের সর্বনিম্ন পরিমাণ কতটুকু? নফল ই‘তিকাফের জন্য কি রোজা রাখা শর্ত? ৩. মসজিদে বাতকর্ম (বায়ু ত্যাগ) করার বিধান কী?

বিবাহ-শাদীর প্রচলিত ভুলসমূহ

মুফতী মনসূরুল হক বিবাহ-শাদী মানব জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। যা মহান আল্লাহ তা‘আলা তাঁর বান্দাদেরকে বিশেষ নে‘আমত হিসাবে দান করেছেন। বাহ্যিক দৃষ্টিতে বিবাহ-শাদী দুনিয়াবী কাজ...

(পর্ব-৩) রাম ও কৃষ্ণ নবী হতে পারেন

মুফতী আবুল হাসান শামসাবাদী   ‘হিন্দুদের রাম-কৃষ্ণ’ সম্পর্কে ডাক্তার জাকির নায়েকের মতবাদ হলো– “ হিন্দুদের রাম ও কৃষ্ণ নবী হতে পারেন। তাদের নবী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে...

(পর্ব-৫) পৃথিবীতে চারজন মহিলা নবী এসেছেন

‘মহিলা নবী’র পক্ষে এবং খতমে নবুওয়াতের বিপক্ষে ডাক্তার জাকির নায়েকের মতবাদ হলো– “ পৃথিবীতে যেমন পুরুষ নবী এসেছেন, তেমনি ‘নবী মানে এমন ব্যক্তি যিনি আল্লাহর পছন্দের এবং যিনি পবিত্র ও খাঁটি’–এ দৃষ্টিকোণ থেকে চারজন মহিলা নবী এসেছেন। তারা হলেন– বিবি মরিয়ম (আ.), বিবি আছিয়া (আ.), বিবি ফাতেমা (রা.) ও বিবি খাদীজা (রা.)।